1. shimul.amarschool@gmail.com : Shimul Hossain : Shimul Hossain
  2. shimulvisa@gmail.com : Md Shimul : Md Shimul
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :

রুয়েট উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি :
  • Update Time : সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২
  • ১৯৯ Time View

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) বিভিন্ন পদে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপাচার্য রফিকুল ইসলাম সেখের বিরুদ্ধে। যাদের মধ্যে নিজের শ্যালক, দুই ভাই, স্ত্রীর ফুফাতো ভাই, চাচাতো বোন, গৃহকর্মী ও তার স্বামীসহ স্বজনদের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগের নীতিমালার লঙ্ঘন কারার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি প্রত্যাশীরা জানান, উপাচার্যের শ্যালক সোহেল আহমেদ নিয়োগ পেয়েছেন পিএ টু ডিরেক্টর পদে। জুনিয়র সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ পাওয়া উপাচার্যের এক ভাই লেবারুল ইসলাম আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছিলেন। আরেক ভাই মো. মুকুল হোসেন সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ পেয়েছেন। উপাচার্যের স্ত্রীর ফুফাতো ভাই মেহেদী হাসান কেয়ারটেকার পদে, চাচাতো বোন মাছুমা খাতুন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে তিনটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রুয়েটে বিভিন্ন পদে ১৩৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত বছরের ৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২তম সিন্ডিকেট সভায় ওই নিয়োগ সিন্ডিকেট সভায় পাশ হয়। কিন্তু এখনো নিয়োগের রেজল্যুশন করা হয়নি। এদিকে চলতি বছরের জুলাইয়ে উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।

জুনিয়র সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ পাওয়া লেবারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপাচার্য ও মুকুল হোসেন আমার আপন ভাই। তবে মুকুলের সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে লেবারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।

ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যের চাচাতো বোন মাছুমা খাতুনের কাছে জানতে চাইল তিনি বলেন, উপাচার্য আমার কোনো আত্মীয় নন। উপাচার্যের বাসভবনের গৃহকর্মী লাভলী আরার কাছে নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন রেখে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য রফিকুল ইসলাম সেখ বলেন, ‘যোগ্যতা থাকায় তারা সবাই পরীক্ষা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন। সেই নিয়োগ বোর্ডেও আমি ছিলাম না। স্বচ্ছতার জন্য নিয়োগ পরীক্ষার খাতা কোডিং করা হয়েছিল, যাতে কোন প্রার্থীর খাতা কোনটি, তা যেন পরীক্ষক বুঝতে না পারেন। লেবারুল আপন ভাই। তবে সে আগে থেকে রুয়েটে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে কর্মরত। সে আমার ভাই হিসেবে পদোন্নতি পায়নি। আলাদা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে সে পরীক্ষা দিয়ে জুনিয়র সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ পেয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |Daynightsangbad24.com
Tech supported by Shimul Hossain