1. shimul.amarschool@gmail.com : Shimul Hossain : Shimul Hossain
  2. shimulvisa@gmail.com : Md Shimul : Md Shimul
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :

৭ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার সমীকরণ যেভাবে মেলালো পিবিআই

ডেনাইটসংবাদ২৪.কম ডেস্ক :
  • Update Time : বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৮৩ Time View

থানা পুলিশ সুপ্তি মল্লিক খুনের ঘটনায় এজাহার দিয়েছিল তার নিরপরাধ স্বামী ও ভাসুরের বিরুদ্ধে। এই মামলায় তাদের জেলও খাটিয়েছিল চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানা পুলিশ। কিন্তু মামলার তদন্তের শেষ সমীকরণ মেলাতে পারেনি তারা। শেষমেশ মামলাটি যায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) হাতে। এক টুকরো কাপড়ে লেগে থাকা এক ফোঁটা বীর্যকে ভিত্তি ধরেই পিবিআই এগিয়ে নেয় তদন্ত। এ বীর্যই মিলিয়ে দেয় মামলার সমীকরণ। বর্তমান স্বামী কিংবা শ্বশুর কেউ নন, আগের স্বামী জাকির হোসাইনই সুপ্তি মল্লিকের একমাত্র খুনি। গ্রেফতারের পর খুনের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দিও দেন জাকির। মামলার তদন্তে ইতি টেনে ঘটনার আদ্যোপান্ত উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্রও জমা দেয় পিবিআই।

শুধু সুপ্তি মল্লিক হত্যাকাণ্ডই নয়, ২০২১ সালে চট্টগ্রামের এমন চাঞ্চল্যকর সাতটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে চট্টগ্রাম পিবিআইয়ের মেট্রো ইউনিট। এক অজ্ঞাত ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ছিল না কোনো ক্লু। মামলার দায়িত্ব নিয়ে মাত্র তিন দিনেই ক্লু উদঘাটন করে তাক লাগিয়ে দেয় পিবিআই টিম। আরেক মামলার আসামি পলাতক ছিল ২১ মাস, পিবিআই মামলার দায়িত্ব নিয়ে ধরেছে তাকে ২৬ দিনে। রহস্যে ঘেরা ক্লু-লেস একটি হত্যাকাণ্ড নিয়ে যখন তোলপাড়, তখন প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে একটি কঙ্কালকেই বেছে নেয় পিবিআই। ওই কঙ্কালই শেষমেশ বলে দেয় খুনির পরিচয়।

অপর এক হত্যা মামলায় ১০ বছরেও থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ মিলে হত্যাকাণ্ডের কূল-কিনারা পায়নি। তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে এক বছরেরও কম সময়ে আসামি শনাক্ত করে পিবিআই মেট্রো ইউনিট। সংস্থাটির তৎপরতায় ১০ বছর পর আদালতে হাজির হয়ে খুনের দায় স্বীকার করে আসামি। আবার চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাগুলোর অন্যতম ছিল সুদীপ্ত হত্যা মামলা। দলবেঁধে ঘর থেকে ডেকে এনে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয় তাকে। দীর্ঘদিন তদন্ত করেও এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড কে, তা বের করতে পারেনি চকবাজার থানা পুলিশ। পিবিআই অল্পদিনের তদন্তেই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

এছাড়া নিজের স্ত্রী মিতুকে সাবেক এসপি বাবুল আক্তারই খুন করিয়েছে- এমন প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় আসে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট। প্রায় ছয় বছর পর এ সংস্থার হাতে নতুন আঙ্গিকেই মোড় নিলো চট্টগ্রামের সবচেয়ে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ড। পিবিআইয়ের হাতেই গ্রেফতার হয়ে স্ত্রী হত্যা মামলার বাদী বাবুল আক্তার এখন আছেন কারাগারে। ইতিহাসের অংশ হয়ে এ একটি ঘটনায় দায়ের হয় দুটি মামলা। যে দুটি মামলা এখনো তদন্ত করছে পিবিআই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |Daynightsangbad24.com
Tech supported by Shimul Hossain