মহানগরীতে অটোরিকশা চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করেছে আরএমপি’র চন্দ্রিমা থানা পুলিশ।
এসময় আটককৃত আসামিদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া অটোরিকশা, ৪ টি ব্যাটারি, ও অন্যান্য চোরাইকৃত অটোরিকশার অংশ বিশেষ উদ্ধার হয়েছে।
আটককৃতরা হলো নগরীর দামকুড়া থানার শিতলাইয়ের রফিকুল ইসলামের ছেলে আল-আমিন (২০), রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার কাকল বাড়ির মৃত রহিম মন্ডলের ছেলে মালেক মন্ডল (৫৫) ও মালেকের স্ত্রী ফাহিমা বেগম (৪০)। সোমবার ২ মে বেলা ১২ টায় চন্দ্রিমা থানায় উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) সাজিদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আরএমপি’র সূত্রে জানা যায়, নগরীর চন্দ্রিমা থানার শিরোইল কলোনীর মো: শামিম গত ২৫ এপ্রিল বিকেল ৩ টায় তার ব্যবহৃত অটোরিকশা প্রতিদিনের মত চালিয়ে বাড়ির সামনে রেখে ভিতরে যায়।বাড়ির ভিতরে কাজ শেষ করে আধা ঘন্টা পরে বাহিরে এসে দেখে তার অটোরিকশাটি নাই। এ ব্যপারে শামীম চন্দ্রিমা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) সাজিদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ আসামিদের নাম ঠিকানা ও অবস্থান সনাক্তপূর্বক চুরি যাওয়া অটোরিকশা উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন।পরবর্তীতে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমরান হোসেনের নেতৃত্বে এসআই প্লাবন কুমার সাহা ও তার টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১ মে বিকেল ৪টার বোয়ালিয়া থানার রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন মোড় হতে আসামি আল-আমিনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামি আল-আমিনের দেওয়া তথ্যমত সন্ধ্যা ৬ টায় জেলার গোদাগাড়ী থানার কাকল বাড়ি আদর্শ গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে আসামি মালেক মন্ডল ও তার স্ত্রী ফাহিমা বেগমকে তাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় আসামিদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া অটোরিকশা, ৪ টি ব্যাটারি, ও অন্যান্য চোরাইকৃত অটোরিকশার অংশ বিশেষ উদ্ধার হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি আল-আমিন জানায়, সে অটোরিকশাটি চুরি করে আসামি মালেক মন্ডল ও মালেকের স্ত্রী ফাহিমার কাছে বিক্রি করে। আসামি মালেক ও তার স্ত্রী ফাহিমা চোরাই জেনেও অটোরিকশা ক্রয় করার কথা স্বীকার করে।গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
Leave a Reply