1. shimul.amarschool@gmail.com : Shimul Hossain : Shimul Hossain
  2. shimulvisa@gmail.com : Md Shimul : Md Shimul
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :

রাজশাহীর পদ্মা পাড়ে উপচে পড়া ভীড়

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০২২
  • ১৭৫ Time View

ঈদের তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবারও রাজশাহীর পদ্মাপাড়ে দেখে গেছে উপচে পড়া ভিড়। রাজশাহীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে পদ্মার পাড় বিনোদনের জন্য অন্যতম। পদ্মার অতিতের সেই যৌবন না থাকলেও মনোরম পরিবেশ,নির্মল বাতাস আর সূর্য ডোবার গোধুলির দৃশ্য বিনোদন প্রেমীদের কাছে টানে। মহানগরের বড়কুঠি থেকে বুলনপুর ও পঞ্চবটি হয়ে সাতবাড়িয়া পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে পদ্মার পাড়।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন কর্তৃক পদ্মাপাড়ের সৌন্দর্য বাড়ানোর পর এ পদ্মা পাড় আরও মনরোম হয়ে উঠে। পদ্মা পারের নির্মল বাতাস আর নৈসর্গিক পরিবেশে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে তাই ঈদের প্রথম দিন থেকে তৃতীয় দিনেও ছিলো বিনোদন পিপাসুদের ঢল । সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্তসব সময়ই ভিড়। তাই অন্যান্য সময়ের চয়ে আরও বেশি প্রাণচাঞ্চল হয়ে উঠেছিলো রাজশাহীর পদ্মার পাড়।

মানুষের বিনোদনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পদ্মার ধার ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে সুদৃশ্য ওয়াকওয়ে। উন্নতমানের এ সড়ক দিয়ে সহজেই বিনোদন পিপাসুরা হেঁটে পদ্মার অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে পারছেন। কাটাতে পারছেন ঈদের অখন্ড অবসর। গ্রীষ্ম, শীত, বর্ষা কিংবা শরৎ, সব ঋতুতেই পদ্মা নদীকে ঘিরে মানুষের আনাগোনা
ভ্রমণ পিপাসুদের বিশ্রাম ও নাস্তার জন্য গড়ে উঠা খাবার হোটেল ‘বহিনোঙ্গর’ ও ‘নোঙ্গর’ পেরিয়ে অল্প সামান্য হাঁটা পথ পেরুলেই চোখে পড়ে সুদৃশ্য গ্যালারি সমৃদ্ধ মুক্তমঞ্চ। এটিই লালন শাহ পার্ক। আঁকাবাঁকা সিঁড়ির মতো সাজানো-গোছানো গ্যালারিতে বসে অনায়াসে দেখা যায় পদ্মার অপরূপ রূপ। পাল তোলা নৌকার কলকলিয়ে ছুটে চলার অনুপম দৃশ্য না থাকলেও স্রোতস্বিনী পদ্মার বয়ে চলার দৃশ্য মানুষকে আনন্দ দিচ্ছে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন এ পার্কের দেখভাল করে। এখানে যেকোনো বড় অনুষ্ঠানের জন্য রয়েছে বিস্তৃত মুক্তমঞ্চ। এ লালন শাহ পার্ক পেরিয়ে এগিয়ে গেলে অদূরেই রয়েছে হযরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার। নদীর পাড় ঘেঁষে এ মাজারের অবস্থান। মাজার জিয়ারত কিংবা পরিদর্শনে এসে এক পলকের দেখা মেলে পদ্মা নদীর। মাজার সড়কের এপারেই নদীর ঘাট পর্যন্ত সুরম্য সিঁড়ি করে দিয়েছে সিটি করপোরেশন। বর্ষাকালে এখানে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া মেলে পদ্মার স্বচ্ছ পানি।

এরপর শাহ মখদুম মাজার শরীফ থেকে সোজা পূর্বদিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় মানুষের জটলা। তরুণ-তরুণীদের হৈ চৈ, আড্ডা। সঙ্গে পাখির কিচির মিচির শব্দও কানে ভেসে আসে। এটি পদ্মা গার্ডেন। এটিকে মিনি পার্কও বলা যায় । সকাল থেকে বিকেল এ পার্ক তরুণ-তরুণীদের আড্ডায় মুখরিত থাকে।

বাবা জামিল আহমদের সাখে বেড়াতে আসা ছয় বছরের ছোট্ট মেয়ে বর্ষা আহমদ জানায়, পদ্মাপাড়ে বেড়াতে তার কাছে ভিষণ ভালো লাগছে। সে ফুচকা খেয়েছে, পেয়ারা খেয়েছে। কিনেছে বেলুনও। এখনে আসার পর ঈদের আনন্দ যেন দ্বিগুণ মনে হচ্ছে তার কাছে।

মহানগরের সুলতানাবাদ এলাকা থেকে আসা আরাফ, সিফাত ও সাগর জানান তারা সবাই বন্ধু। ঈদ উৎসব চলছে। কিন্তু সব কিছুর চেয়ে পদ্মা নদীর পাড়ের প্রাকৃতিক দৃশ্য আর নির্মল বাতাস তাদের বেশি ভালো লাগছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |Daynightsangbad24.com
Tech supported by Shimul Hossain