1. shimul.amarschool@gmail.com : Shimul Hossain : Shimul Hossain
  2. shimulvisa@gmail.com : Md Shimul : Md Shimul
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :

ঢাবি ক্লাবে রিজভী : তথ্যানুসন্ধানে কমিটি

ঢাবি প্রতিনিধি :
  • Update Time : বুধবার, ২২ জুন, ২০২২
  • ১৬৫ Time View

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ভবনে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগপন্থী কিছু শিক্ষক ও ছাত্রলীগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের সভাপতি ও বিএনপিপন্থী শিক্ষকনেতা এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের আমন্ত্রণে রিজভী ক্লাবে গিয়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে ‘প্রকৃত ঘটনা’ জানতে ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি তথ্যানুসন্ধান (ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং) কমিটি করা হয়েছে। তবে ওবায়দুল ইসলামে বলেছেন, তাঁর আমন্ত্রণে ক্লাবে শুধু খাবার খেতে এসেছিলেন রিজভী।

গত শনিবার দিবাগত রাত একটা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে অবস্থান করেন রুহুল কবির রিজভী। এ সময় রিজভীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রীসহ কয়েকজন ছিলেন। পরদিন রোববার ছাত্রলীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ক্লাবের সিসিটিভি ফুটেজে রিজভীর প্রবেশের ছবি দিয়ে একে ‘গোপন বৈঠক’ আখ্যা দেওয়া হয়। ওই পোস্টে প্রশ্ন তোলা হয়, ‘ক্লাবে মধ্যরাতের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছিল? বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সঙ্গে আর কারা ছিলেন?’ আওয়ামীপন্থী নীল দলের শিক্ষকদেরও কেউ কেউ একই ধরনের প্রশ্ন তোলেন। পরে গত সোমবার রাতেই ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা ডাকা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকনেতা আবদুর রহিম বলেন, সোমবার রাতে ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা হয়। যেহেতু রোববারের ওই ঘটনা নিয়ে একধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাই সেদিনের প্রকৃত ঘটনা জানতে একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি করা হয়েছে। কমিটি এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে ওই ঘটনার বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাইবে। ক্লাবের নেতা ও ফার্মেসি অনুষদের ডিন সীতেশ চন্দ্র বাছাড়কে প্রধান করে গঠিত ওই কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, রোববার বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা রিজভীর ক্লাবে আসাটাকে কেউ ষড়যন্ত্র বলতে পারে, তা তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য বিষয়। তিনি বলেন, ‘ক্লাব একটা মতবিনিময়, আড্ডা ও রিলাক্সেশনের জায়গা। এখানে অতিথি হিসেবে কেউ এলে তাঁকে আপ্যায়ন করা হয়। অনেক সময় রাত দেড়টা থেকে দুইটা পর্যন্তও ক্লাবে খেলাধুলা হয়। সেই খেলাধুলা ছাত্রলীগ-যুবলীগ, নাকি শিক্ষকেরা করেন, তা খুঁজে দেখুন। আমি একজনকে দাওয়াত দিলে সেটা দোষ হয়ে গেল? সেই দাওয়াতে কারও আসাটা ষড়যন্ত্র হয়ে গেল? পদ্মা সেতু ঝাঁকি দিয়ে ভেঙে ফেললাম—এ ধরনের বিশ্বাস কেউ কোন মগজে করে, জানি না! রুহুল কবির রিজভী আমার দাওয়াতে খাবার খেতে এসেছিলেন।’

ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, ‘রুহুল কবির রিজভী কোনো জায়গায় দাওয়াত খেতে গেলে তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচ-দশজন লোক যাবেন, এটা খুবই স্বাভাবিক কথা। সেখানে আমাদের ক্লাবের পাঁচজন সদস্যও ছিলেন, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েরও কিছু শিক্ষক ছিলেন। এটাকে যদি কেউ ষড়যন্ত্র বলতে চায়, সেটা আমাদের কাছে অবিশ্বাস্য বিষয়। কারও পক্ষে এটা বিশ্বাস করা সম্ভব কি না, জানি না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে যেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে এবং লোকালয়ের মতো সবাই আসা-যাওয়া করে, সেখানে এসে কেউ ষড়যন্ত্রের সভা করবে? এত বড় আহাম্মক আমরা নই।’

এদিকে আজ বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি সেনানিবাস? তা তো নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। সেখানে আমাদের বন্ধুবান্ধব থাকতে পারে। তাদের দাওয়াতে যদি আমরা সেখানে যাই, এখানে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব কী করে দাঁড় করানো হলো?’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |Daynightsangbad24.com
Tech supported by Shimul Hossain